রিয়াজ উদ্দিন: পাউরুটির ভেতরে বিশেষ কায়দায় ইয়াবা লুকিয়ে পাচারের সময় কক্সবাজারে দুই নারীকে আটক করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২ হাজার ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কক্সবাজার পৌরসভার নতুন বাহারছড়ার ৬ নম্বর বিআইডব্লিউটিএ ঘাটের পন্টুন থেকে তাদের আটক করা হয়। আটকরা হলেন—সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার ফকিরটিলা এলাকার মোছা. রুজিনা বেগম (৩৫) এবং কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কালিকাপুর এলাকার রানু বেগম (৫৪)। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কক্সবাজার জেলা কার্যালয় সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘাটের পন্টুনে সন্দেহজনক অবস্থায় ওই দুই নারীকে আটক করা হয়। পরে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তাদের দেহ ও সঙ্গে থাকা মালামাল তল্লাশি করা হয়। তল্লাশির একপর্যায়ে রুজিনা বেগমের হাতে থাকা লাল রঙের একটি শপিং ব্যাগের ভেতর একটি পাউরুটি পাওয়া যায়। সন্দেহ হওয়ায় পাউরুটিটি পরীক্ষা করে এর ভেতর বিশেষ কায়দায় লুকানো একটি পলিপ্যাকেট উদ্ধার করা হয়। পলিপ্যাকেটটি স্কচটেপ ও টিস্যু পেপার দিয়ে মোড়ানো ছিল। পরে সেটির ভেতর থেকে ২ হাজার ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় আটক দুই নারীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে কক্সবাজার সদর থানায় মামলা করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সোমেন মন্ডল জানান, ইয়াবা পাচারে ব্যবহৃত পদ্ধতি এবং এর সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ফরিদুল আলম রনি, কক্সবাজার–রামু–উখিয়া উপজেলা প্রতিনিধি: কক্সবাজারের রামু সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে ঘুষ, হয়রানি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সরকারি নির্ধারিত ফির বাইরে বিভিন্ন অজুহাতে সেবাগ্রহীতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়
রিয়াজ উদ্দিন| কক্সবাজার কক্সবাজারে ১ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে কারাগারে থাকা সোনা মিয়াকে চারটি শর্তে মুক্তির সিদ্ধান্ত দিয়েছেন আদালত। তদন্তে উঠে এসেছে, ২০২০ সালের ইয়াবা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি এবং ২০২৬ সালে গ্রেপ্তার হওয়া সোনা মিয়া একই ব্যক্তি নন। মূলত অন্য এক ব্যক্তি সোনা মিয়ার
সোলতান আহমদ, নিজস্ব প্রতিবেদক: মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের একটি অংশ ভুয়া নাম-ঠিকানা ও পরিচয় ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন শহর, নগর ও বন্দর এলাকায় অবাধে চলাচল করছে—এমন
রিয়াজ উদ্দিন: সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জুতা টানছে পুলিশ’ শিরোনামে ছড়িয়ে পড়া প্রচারণাকে অসত্য, অবান্তর ও কল্পনাপ্রসূত বলে দাবি করেছে পুলিশ সদর দপ্তর। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশ পুলিশকে হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে একটি ঘটনাকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। পুলিশ সদর দপ্তরের দেওয়া তথ্যমতে, গত ৭ আগস্ট স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজার সদর থানাধীন বাহারছড়া জামে মসজিদে জুমার নামাজ আদায় করেন। একই মসজিদে কক্সবাজার সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)ও জুমার নামাজ আদায় করেন। পুলিশের দাবি, মসজিদে প্রবেশের সময় ওসি নিজের জুতা খুলে ভেতরে প্রবেশ করেন। নামাজ শেষে তিনি নিজের জুতা হাতে নিয়েই মসজিদ থেকে বের হন। এ সময় মসজিদের প্রবেশপথে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জুতা রাখা ছিল। পুলিশ সদর দপ্তর বলছে, ওসি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জুতা বা স্যান্ডেল বহন করেছেন—সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন প্রচারণার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো সম্পর্ক নেই। একটি স্বাভাবিক ঘটনাকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়েছে বলে দাবি পুলিশের। এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তর আরও জানায়, এ ধরনের অসত্য ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। কোনো ঘটনা যাচাই-বাছাই না করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার ও শেয়ার না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর সংশ্লিষ্ট সবাইকে অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে কোনো ছবি বা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা প্রচারের আগে ঘটনার প্রকৃত তথ্য যাচাই করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে পুলিশ।
খোরশেদ আলম, নিজস্ব প্রতিবেদক: কক্সবাজারে বহুল প্রতীক্ষিত মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট ২০২৬) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ