শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে ১০ হাজার ইয়াবাসহ মাদক সেবক ও ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার ২১ টেকনাফে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিশাল যুব সমাবেশ সংবাদ প্রকাশের জেরে মামলায় দুই সম্পাদকের জামিন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভুয়া পরিচয়ে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ১ ১ নভেম্বর থেকে খুলছে সেন্টমার্টিন, পর্যটন মৌসুম ঘিরে নতুন প্রত্যাশা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভুয়া পরিচয়ে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ১ কক্সবাজারে সদর মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ১৫ কক্সবাজারে ১৭৯ বৌদ্ধবিহারে প্রবারণা পূর্ণিমা উদ্‌যাপন উখিয়ায় তালিকাভুক্ত মাদক কারবারি ছৈয়দুল বশর ওরফে ছিছিকে আটকে সফলতা, পুরস্কার পেল বালুখালী ক্যাম্প ইনচার্জ এসআই কিবরিয়া ও টিম কক্সবাজারে সদর মডেল থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১৫, ছিনতাইকারী ৫

ভুয়া পরিচয়ে রোহিঙ্গাদের বেপরোয়া চলাচল: শহর-নগর ও বন্দর এলাকায় পরিচয় গোপনের অভিযোগ, কঠোর যাচাই-বাছাইয়ের দাবি

সোলতান আহমদ, নিজস্ব প্রতিবেদক / ৮২ বার পড়া হয়েছে
আপডেট সময় : শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন

সোলতান আহমদ, নিজস্ব প্রতিবেদক:
মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের একটি অংশ ভুয়া নাম-ঠিকানা ও পরিচয় ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন শহর, নগর ও বন্দর এলাকায় অবাধে চলাচল করছে—এমন অভিযোগ নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, পরিচয় গোপন করে কেউ কেউ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে অবস্থান পরিবর্তন করছে।
অভিযোগ রয়েছে, অপরাধের ঘটনায় কোনো রোহিঙ্গা গ্রেপ্তার হলে তার প্রকৃত পরিচয়, ক্যাম্পের ঠিকানা ও বায়োমেট্রিক তথ্য যথাযথভাবে যাচাই না করা হলে পরবর্তীতে তাকে শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। বিশেষ করে মামলা থেকে জামিনে বের হওয়ার পর কোনো আসামি পলাতক হলে মামলার নথিতে থাকা ভুয়া বা অসম্পূর্ণ ঠিকানায় তাকে খুঁজে বের করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়।
সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিচয় গোপন করে জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মনিবন্ধন কিংবা পাসপোর্টসহ সরকারি নথি সংগ্রহের চেষ্টা থাকলে তা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলার জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে। তাই সন্দেহভাজন ব্যক্তির পরিচয় ও নথিপত্র সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থার তথ্যভান্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা জরুরি।
সচেতন মহলের দাবি, কোনো ব্যক্তিকে শুধু রোহিঙ্গা পরিচয়ের কারণে অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। তবে অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির প্রকৃত পরিচয়, ক্যাম্পের অবস্থান, পারিবারিক তথ্য, পূর্বের মামলা এবং বায়োমেট্রিক রেকর্ড যাচাই করা প্রয়োজন।
একই সঙ্গে থানায় মামলা নথিভুক্তি, আদালতে উপস্থাপন এবং কারাগারে প্রবেশের সময় আসামির পরিচয় পুনরায় যাচাইয়ের ব্যবস্থা জোরদারের দাবি উঠেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান আরও কার্যকর হলে ভুয়া পরিচয়ে চলাচলকারী ব্যক্তিদের শনাক্ত করা সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে যাচাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে নিরপরাধ ব্যক্তির হয়রানি এড়িয়ে প্রমাণভিত্তিক, নিরপেক্ষ ও আইনসম্মত প্রক্রিয়া অনুসরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ভুয়া পরিচয়, জাল কাগজপত্র কিংবা ভুল ঠিকানা ব্যবহার করে কেউ আইনবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকলে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।
সীমান্তবর্তী কক্সবাজারসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহর, বন্দর ও যোগাযোগকেন্দ্রে পরিচয় যাচাই এবং আন্তঃসংস্থা সমন্বয় জোরদার করা গেলে ভুয়া পরিচয়ে চলাচল ও অপরাধ করে আত্মগোপনের সুযোগ অনেকটাই কমানো সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


error: Content is protected !!
error: Content is protected !!