শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, পেকুয়া
কক্সবাজারের পেকুয়ার টইটংয়ের পন্ডিত পাড়ায় জায়গার জবর দখল ঠেকাতে মাটে নামল পুলিশ।
জায়গা নিয়ে আদালতে মামলা চলমান আছে। এসব তোয়াক্কা না করে পেশীশক্তির জোরে বিরোধপূর্ণ জায়গায় জবর দখলের চেষ্টা চলছিল। শতবছরের ভোগ দখলীয় বসতভিটা থেকে মাটি লুট করছিল। এসময় খবর পেয়ে পেকুয়া থানা পুলিশ দ্রুত ওই স্থানে গিয়ে মাটি কাটা বন্ধ করে।
বৃহস্প্রতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২ টার দিকে টইটং ইউনিয়নের পশ্চিম টইটং পন্ডিত পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ২৬ শতক জায়গা নিয়ে পন্ডিত পাড়ায় মৃত আবুল কাশেমের পুত্র ডাঃ মোঃ তাজবিয়ান বুলবুল ও মৃত মোকতার আহমদের পুত্র আবদুল খালেক গংদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। বি এস ৫৩৫ নং খতিয়ানের ৫৭৮ দাগের এ জায়গাটির রেকর্ডীয় ও অনুমতি দখলীয় মালিক মোকতার আহমদ গং। এই জায়গায় প্রায় শতবছর আগে থেকে মোকতার আহমদ, তার পিতা ও পিতামহের বসতবাড়ি হিসাবে বসবাস করে আসছিলেন। বর্তমানে এ বাড়িতে মোকতার আহমদের পুত্র গোলাম আজম প্রকাশ কায়েস গংদের পরিবার বসবাস করছেন। এদিকে সম্প্রতি ওই জায়গার উপর লোলুপদৃষ্টি পড়ে প্রভাবশালীর। ডাঃ মোঃ তাজবিয়ান বুলবুল গং মোকতার আহমদের বসতভিটার উঠান থেকে ৫/৬ শতক জায়গায় রাতের আধাঁরে টিনের ঘেরা ভেড়া দিয়ে দখল চেষ্টা করে। এর জের ধরে বৃহস্প্রতিবার দুপুরে উঠান থেকে মাটি লুট করছিল। এস্কেভেটর দিয়ে মাটি কেটে ড্রাম ট্রাক দিয়ে মাটি পাচার করছিল। এসময় পুলিশ গিয়ে বাধা দেয়।
মোকতার আহমদের পুত্র আবদুল খালেক জানান,আমরা চরমভাবে নির্যাতনের শিকার। এম আর মামলা করেছে তারা। কিন্তু রিপোর্ট গেছে তাদের বিপক্ষে। পরিষদে তারা বিচার দিয়েছিল। গ্রাম আদালতে রায় এসেছে আমরা বিবাদীদের অনুকুলে। এসিল্যান্ড মহোদয় ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তদন্ত প্রতিবেদন ও আমাদের অনুকূলে। তারা জজ আদালতে রিভিশন মামলা করেছে। এ মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া সত্বেও নিজেরা বাদীপক্ষ জবর দখল করার চেষ্টা করছে। কিছু ভাড়াটে নিয়ে আমাদের বসতবাড়ির দরজার সামনে উঠান দখলের চেষ্টায় নেমেছে। পুলিশের প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। তারা এসে মাটি কাটা বন্ধ করেছে।
ডাঃ মোঃ তাজবিয়ান বুলবুল বলেন, এখানে আমাদের বসতবাড়ি ছিল। আমরা এসে আমাদের জায়গায় বাড়ি তৈরি করার কাজ করছি।
পেকুয়া থানার এস আই মাহফুজ জানান, এ জায়গায় ১৪৪ ধারার মামলা আছে। শুনানীর দিন রয়েছে ১২ ই অক্টোবর। আদালত থেকে নির্দেশ না আসা পর্যন্ত স্থিতিবস্থা বিদ্যমান রাখাসহ শান্তিশৃংখলা বজায় রাখার দায়ীত্ব পুলিশের উপর বর্তায়। আমরা গিয়ে উভয় পক্ষকে শান্তিশৃংখলা বজায় রাখতে বলেছি।